পুলিশের উজ্জ্বল তারকা শাহ আবিদ হোসেন

0
190

সুমন ভৌমিকঃ অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোঃ শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম(বার)। পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে তার ভূমিকা ময়মনসিংহবাসীর কাছে প্রশ্নাতীত গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতি ও অপরাধ দমনে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ বাহিনীকে জিরো টলারেন্সে রেখেছেন । জেলা পুলিশের গতিশীলতায় এনেছেন পরিবর্তন, অগ্রগতি ও সাফল্য। ময়মনসিংহের জনমনে তিনি পুলিশের এক উজ্জ্বল তারকা।

পুলিশ বাহিনীতে সৎ নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা রয়েছেন যারা জীবন বাজি রেখে সুতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদেরই অন্যতম-ময়মনসিংহের সুযোগ্য পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন।

তিনি যখন ময়মনসিংহে যোগ দেন তখন জেলায় ছিল ক্রান্তিকাল। সেই মুহুর্তে ময়মনসিংহে দায়িত্ব পেয়েই খুব দ্রæত পরিস্থিতি সামাল দেন চৌকষ পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন।

তারপর দায়িত্বশীলতা, কর্মনিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের গুণে বার বার সাফল্যের নজির রেখেছেন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রেখেছেন। আস্থা অর্জন করেছেন জনগণের। সাফল্যের জন্য হয়েছেন প্রশংসিু ।

ময়মনসিংহবাসীর মন জয় করে নিয়েছেন। ইতিপূর্বে অন্য কেউ এমন বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হননি। তিনি সবসময় রয়েছেন বিতর্কের উর্ধে।
শাহ্ আবিদ হোসেন শ্রেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ময়মনসিংহ রেঞ্জে বার বার পুরস্কৃত হয়েছেন। সাফল্যের মাপকাঠিতে তিনি সবসময় অগ্রভাগে।
গণ ১৪ আগষ্ট ২০১৮ ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেন তিনি। এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় মাসিক অপরাধ দমন, মাদক উদ্ধার, মামলা রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতারে সফলতার জন্য রেঞ্জে বার বার পুলিশ সুপার হিসাবে চ্যাম্পিয়ান পুরস্কার নিয়েছেন। ক্লিন ইমেজের অধিকারী হিসাবে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। এর আগেও তিনি কুমিল্লায় পুলিশ সুপার থাকাকালে সাফল্যের নজির রেখে অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ৬৫ কিলোমিটার রাস্তায় ডাকাতি, দূর্ঘটনা ও হাইওয়েতে অবৈধ যান বন্ধের জন্য পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন অফিস সংলগ্ন সিসি ক্যামেরার কন্ট্রোলরুম নজরদারি রাখেন। নগর এলাকায় সিসি ক্যামেরা ও টহল পুলিশের তৎপরতা থাকায় অপরাধীর আনাগোনাও কমেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন ময়মনসিংহে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে তিনি পুলিশ বাহিনীকে ঢেলে সাজিয়েছেন। যার ফলে অতিদ্রæত অপরাধীদের গ্রেফতার, মামলার রহস্য উদঘাটন করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়। তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এর ফলশ্রæতিতে মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ীদের ৮০ শতাংশ জেলে।

ময়মনসিংহের সুযোগ্য পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম এর নেতৃত্বে সা¤প্রতিক কালে জেলা পুলিশের অর্জিত উল্লেখযোগ্য সাফল্যের মধ্যে রয়েছে জেলার একাধিক চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার।
যেমন ভালুকায় শিশু ফারজানা হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনায় জড়িত অন্যতম আসামী গ্রেফতার। মুক্তাগাছায় থানাধীন বানিয়াকাজী গ্রামস্থ তাইজুল মাষ্টারের ফিশারীর পাড়ে অজ্ঞাতনামা গলাকাটা মৃত দেহ উদ্ধার ও হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন, আসামী গ্রেফতার। গফরগাঁও থানার রিয়াদ হত্যার মামলার আসামী গ্রেফতার। তারাকান্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম এর একমাত্র ছেলে “মেহেদী হাসান গোলাপ” ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পুলিশ এ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করে অপরাধীকে গ্রেফতার করে।

অন্যদিকে সংঘবদ্ধ অপরাধকারী চক্র পাগলা থানার আলমগীর হত্যা, সুজন হত্যা, আলোচিত যুবলীগ নেতা রাসেল হত্যা, ত্রিশালের ধান ব্যবসায়ী আজিজুল হত্যার রহস্য সহ একাধিক গুরুত্বপ‚র্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অজ্ঞাত লাশের পরিচয় সনাক্তকরণ উল্লেখযোগ্য।

দেশ ব্যাপী আলোচিত ময়মনসিংহের পাটগুদাম ব্রীজমোড়ে ব্রিফকেস ভর্তি মাথা, হাত,পা বিহীন শরীর (বডি) উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদঘাটনে সফল ভূমিকা রাখেন শাহ্ আবিদ হোসেন।

অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে তিনি জেলা গোয়েন্দা সংস্থাকে বিশেষ ভাবে কাজে লাগিয়েছেন।
সূত্র থেকে জানা গেছে, শাহ আবিদ হোসেন ময়মনসিংহ জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তিনি জেলার প্রতিটি থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
পুলিশ সদস্যদের দৈনন্দিন কাজের বিবরণী একটি মাত্র সফটওয়ারের মাধ্যমে জানতে ময়মনসিংহ পুলিশের পারফরমেন্স এভোলেশন সফটওয়ার নামক একটি পেইজ খুলেন এসপি শাহ্ আবিদ হোসেন। যা একটি সম্ভাবনাময় মডেল।

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ অপরাধ নিয়ন্ত্রন ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here