বিভ্রান্তিকর সংবাদে ময়মনসিংহ পুলিশের ব্যাখা, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

0
438

নিউজ ডেস্কঃ গত ২৮ জুলাই অনলাইন অপরাধ সংবাদ ডটকম, দৈনিক বরিশালের প্রহর ডটকম ও ৩০ জুলাই ১৯ তারিখে আমাদের কন্ঠ পত্রিকায় ময়মনসিংহ ডিবি’র নির্যাতনে চোখ হারাচ্ছেন দুই সাংবাদিক, ডিবি’র নির্যাতনে চোখে ঝাপসা দেখেন সাংবাদিক খায়রুল শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক একজন চাঁদাবাজ, প্রতারক, জালিয়াতি চক্রের সক্রিয় সদস্য। তিনি দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন নামক পত্রিকার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও অনলাইন অপরাধ সংবাদ ডটকম নামক পত্রিকার নাম ব্যবহার করে এবং উল্লেখিত পত্রিকা সহ একাধিক পত্রিকার বিভিন্ন লোকজনের নামে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, পরিকল্পিত সংবাদ প্রকাশ করে হয়রানি করে আসছে। এছাড়া সংবাদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গকে কাল্পনিক ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজী করে আসছে।  বিভিন্ন চাঁদাবাজীর ঘটনায় দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক মোঃ ইদ্রিস আলী খান বাধ্য হয়ে পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ করতে জেলা প্রশাসক, ময়মনসিংহ বরাবর আবেদন করেন এবং জেলা প্রশাসক পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ করে দেন।

খায়রুল আলম রফিক এর নামে নিম্ন উল্লেখিত মামলা গুলো বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়।

১। মোঃ ইদ্রিস খান বাদী হইয়া কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-০৯, তারিখ-০২/১২/১৮ ইং ধারা-২০১৮ সনের ডিজিটাল আইনের ১৯(২) /২০(২)/২৩(২)/২৫(২)/২৯(২) তৎসহ দঃ বিঃ  ৩৮৫ যাহা তদন্তাধীন আছে।

২। জনাব আব্দুল্লাহ আল আমিন বাদী হইয়া কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-১০৩, তারিখ-২৪/০৯/১৮ ইং, ধারা-২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭/৬৬ উক্ত মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।

৩। মোঃ কামাল মিয়া প্রধান ফটো সাংবাদিক সাপ্তাহিক সোনালী শীষ বাদী হইয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ০১ নং আমলী আদালত, মোকদ্দমা নং-৯৯৮/১৮, ধারা-৩৪১/৩২৩/৩৮৫/৪২৭/৫০৬ (২) বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।

৪। মোঃ হাসেম আলী বাদী হইয়া  বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ট্রাইব্যুনাল মোকদ্দমা নং-৪৭/১৮, ধারা আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার)২০০২ (সং/২০১২) ধারার-৪/৫ যাহা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।

৫। নেত্রকোণা বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-১ এর দরখাস্ত মোকদ্দমা  নং-২১৫/১৬, ধারা-২৯৫/(ক)/৩৪ উক্ত মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।

৬। মোঃ মজিবুর রহমান অধ্যক্ষ নজরুল ডিগ্রী কলেজ বাদী হইয়া ময়মনসিংহ বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-৩ ত্রিশাল এর সি আর মোকদ্দমা নং-২৯৪/১৭, ধারা-৫০০/৫০১ যাহা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।

৭। মোঃ কামাল মিয়া প্রধান ফটো সাংবাদিক সাপ্তাহিক সোনালী শীষ বাদী হইয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ০১ নং আমলী আদালত, মোকদ্দমা নং-১০৯৭/১৮, ধারা-৫০০/৫০১/৩৪ দঃ বিঃ বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।

দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী খান তার প্রকাশনাধীন পত্রিকার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক এর বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-০৯, তারিখ-০২/১২/১৮ ইং ধারা-২০১৮ সনের ডিজিটাল আইনের ১৯(২) /২০(২)/২৩(২)/২৫(২)/২৯(২) তৎসহ দঃ বিঃ  ৩৮৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন।  এই মামলাটির তদন্তভার ডিবি পুলিশের উপর ন্যাস্ত হওয়ায় এসআই পরিমল চন্দ্র সরকার উক্ত মামলাটি তদন্ত করেন। তদন্তকারী অফিসার খায়রুল আলম রফিককে ০৩/১২/১৮ তারিখে চরপাড়া মোড় থেকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে মামলা রহস্য উদঘাটনে বিধি মোতাবেক ০৫(পাঁচ) দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ মোতাবেক পুলিশ রিমান্ডে এনে বিধি মোতাবেক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুনরায় বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়।

দীর্ঘ ০৩ (তিন) মাসের অধিক আসামী খায়রুল আলম রফিক হাজতবাস শেষে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো চাঁদাবাজ, বিভ্রান্তিকর, মানহানিকর সংবাদ প্রকাশকারী কথিত সাংবাদিক পুলিশ বিভাগের মানসম্মান ক্ষুন্ন ও হয়রানির উদ্দেশ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে নাটকীয়তার আশ্রয় নিয়ে ডিবি পুলিশ কর্তৃক রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে তাকে (খায়রুল আলম রফিক) মারধর, নির্যাতন, চোখ নষ্ট করা হয়েছে দাবী করে পূর্বের ন্যায় একই কায়দায় মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, মানহানি ও পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে গত ২৮ জুলাই ১৯ তারিখে অনলাইন অপরাধ সংবাদ ডটকম ও আমাদের কন্ঠ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে।

উল্লেখ্য রিমান্ড শেষে খায়রুল আলম রফিককে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করিল, আসামীর বিজ্ঞ আইনজীবি বিজ্ঞ আদালতকে তৎসময়ে তাকে নির্যাতনের কোন বিষয়ে অবগত করেন নাই। এধরনের হাস্যকর, মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া, বানোয়াট সংবাদ এবং পরবর্তীতে আসামী কাইয়ুমকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ নির্যাতন করেছে দাবী করে ছবি সম্বলিত ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রকাশ করে। উল্লেখিত সংবাদে ২৯ নভেম্বর ১৮ তারিখের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। যা কোন স্থানের ছবি তা আমাদের অবগত নয়।

উক্ত কাইয়ুম এর সাথে কোন সংবাদপত্রের সংবাদিক যোগাযোগ করেন নাই এবং প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট মর্মে তাহার স্বাক্ষরিত একটি পত্র ডিবি অফিসে স্ব-শরীরে হাজির হইয়া দাখিল করেন। যাহা অত্র সাথে সংযুক্ত। কথিত সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক একজন চাঁদাবাজ, প্রতারক।  উক্ত খায়রুল আলম রফিক সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ সহ সরকারের সুনাম নষ্ট ও দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করার উদ্দেশ্যে সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য বিভিন্ন সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কলাকৌশলে চাঁদা দাবী করিয়া থাকে। তাহার চাহিদা মত চাঁদা না পেলে, বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেন। উক্ত খায়রুল আলম এর কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠি হইয়া তাহার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মামলা করেন। তাহার কয়েকটি নিম্নে উল্লেখ করা হইল।

উক্ত সাংবাদিকের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সাংবাদিক মহল, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও সাধারণ জনগন অতিষ্ঠ হয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে প্রতিবাদ মূলক সংবাদ প্রকাশ সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আবেদন করেছেন।  উল্লেখিত কয়েকটি সংবাদপত্রের প্রকাশের ফটোকপি সংযুক্ত করা হল।

১। ১৬ সেপ্টেম্বর/১৮ তারিখে ও ১৭ সেপ্টেম্বরে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকা।

২। ৫/৯/১৮ তারিখ পাক্ষিক সুবর্ণ বাংলা।

৩। ১০/০৯/১৮ সাপ্তাহিক জয় বাংলা।

৪। ০৬/০৯/১৮ দৈনিক সকালের সময়।

৫। ০৫/০৯/১৮ দৈনিক বর্তমান।

৬। ২৯/১০/১৮ দৈনিক শ্বাশত বাংলা।

৭। ২৪/১০/১৮ দৈনিক স্বদেশ সংবাদ।

৮। ২৫/১০/১৮ দৈনিক স্বজন।

৯। ২৮/১০/১৮ দৈনিক সকালের দুনিয়া।

১০। ২৫/১০/১৮ সাপ্তাহিক সোনালী শীষ।

সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ ও পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার/নষ্ট করার লক্ষ্যে খায়রুল আলম রফিকের কু-কর্ম ও তার বিরুদ্ধে চলমান মামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জিম্মি করতে সে বিভিন্ন পত্রিকায় ও অনলাইন এর মাধ্যমে একের পর এক মনগড়া, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করে আসছে। এতে ময়মনসিংহ পুলিশ বিভাগ ক্ষুব্ধ, মর্মাহত, ব্যথিত এবং উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদন জানাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here